[ad_1]
শ্রম অধিকারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র মানবাধিকার পরিস্থিতিও জুড়ে দিচ্ছে উল্লেখ করে শ্রমসচিব বলেন, ‘মানবাধিকার সার্বিকভাবে একটা বড় বিষয়। কিন্তু শ্রমিকদের বিরুদ্ধে মামলা-মোকদ্দমা, স্বাধীন তদন্ত ইত্যাদি তারা চায়। আমি একমত হয়েছি। তাঁরা বলেছেন, ১১ দফা বাস্তবায়িত হলে অবশ্যই আমাদের রপ্তানি বাড়বে এবং ন্যায্যমূল্য পাব। ক্রেতাদের তাঁরা বলতে পারবেন যে এখানে মানবাধিকার ও শ্রম অধিকার সংরক্ষিত হচ্ছে। আমি তাদের এ কথাও বলেছি, যেসব কারখানায় সমস্যা চলছে, সেগুলো ব্র্যান্ড-বায়ারদের চালাতে বলো। আমাদের মুনাফার দরকার নেই।’
রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলগুলোর (ইপিজেড) জন্য একধরনের আইন, অন্যদের জন্য আরেক ধরনের আইন—এ নিয়েও তো প্রশ্ন রয়েছে। এর জবাবে শ্রমসচিব বলেন, ইপিজেডের শ্রমিকেরা অন্য শ্রমিকদের তুলনায় বেশি মজুরি ও কর্মপরিবেশের বেশি নিরাপত্তা ভোগ করে। হঠাৎ করে চুক্তির বাইরে যাওয়া যাবে না। একক আইন করতে গেলে একটা সমীক্ষা করতে হবে।
আগামী তিন মাসে দু-একটি ছাড়া ১১ দফার সব কটিরই ভালো অগ্রগতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন শ্রমসচিব। শ্রম সংস্কার কমিশন অনেকটাই সরকারের কাজ সহজ করে দেবে বলেও মনে করেন তিনি।
[ad_2]
Source link