Homeঅর্থনীতিপুঁজিবাজার উন্নয়নে সবকিছুই করা হবে, আনিসুজ্জামান চৌধুরীর আশ্বাস

পুঁজিবাজার উন্নয়নে সবকিছুই করা হবে, আনিসুজ্জামান চৌধুরীর আশ্বাস

[ad_1]

পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী ও গতিশীল করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণের অঙ্গীকার করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী এবং পুঁজিবাজার উন্নয়ন কমিটির সভাপতি ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী। গতকাল রোববার রাজধানীর নিকুঞ্জে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) পরিদর্শনকালে এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, ‘পুঁজিবাজারের উন্নয়নে যা যা করা প্রয়োজন, আমি তা করতে প্রস্তুত। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সঙ্গে নিয়ে একটি কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নকাঠামো গড়ে তোলা হবে।’

সভায় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ, কমিশনার মো. মহসিন চৌধুরী, মো. আলী আকবর, পুঁজিবাজার সংস্কারবিষয়ক টাস্কফোর্স ও ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ সদস্যরা, ডিবিএ, সিডিবিএল, সিসিবিএলসহ বিভিন্ন অংশী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ড. আনিসুজ্জামান বলেন, ‘যেসব প্রতিবন্ধকতা বিএসইসি ও ডিএসইর আওতায় রয়েছে, তা দ্রুত সমাধান করতে হবে। আর যেসব বিষয় নিয়ন্ত্রক সংস্থার আওতার বাইরে, সেগুলো আমি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষকে জানাব এবং সমাধানে যথাযথ পদক্ষেপ নেব।’

অর্থনীতির ইতিবাচক প্রভাব পুঁজিবাজারে পড়বে জানিয়ে আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘দেশের অর্থনীতি এখন ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। বিদেশি ঋণ পরিশোধসহ অর্থনীতিতে অনেক ইতিবাচক ঘটনা ঘটছে। এসবের প্রভাব শিগগির পুঁজিবাজারে পড়বে।’

তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, সরকার বাজার সংস্কারে আন্তরিক। পুঁজিবাজারকে আরও স্বচ্ছ ও বিনিয়োগবান্ধব করতে বিদ্যমান সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধান করা হবে। প্রধান উপদেষ্টা দেশের অর্থনৈতিক ও কাঠামোগত উন্নয়নে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছেন।

সভায় ডিএসই চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন, সরকারি সিকিউরিটিজে উচ্চ সুদের হার, করপোরেট মুনাফার হ্রাস, টাকার অবমূল্যায়ন, নেগেটিভ ইক্যুইটি এবং কিছু অসাধু চক্রের কারসাজির কারণে বাজারে আস্থা সংকট তৈরি হয়েছে।

পুঁজিবাজারের আস্থা বাড়াতে করণীয় তুলে ধরে ডিএসই চেয়ারম্যান বলেন, ব্যক্তিগত বিনিয়োগকারীদের ক্যাপিটাল গেইন ট্যাক্স মওকুফ, ব্রোকারেজ কমিশন দশমিক ৫ শতাংশ থেকে হ্রাস করে দশমিক ৩৫ শতাংশ করা, ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের তালিকাভুক্ত কোম্পানি থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশ এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত করমুক্ত করা এবং লভ্যাংশের উৎসে কর ১০ শতাংশ বা ১৫ শতাংশ চূড়ান্ত করদায় হিসেবে বিবেচনা করা, নেগেটিভ ইক্যুইটির বোঝা থেকে বিনিয়োগকারীদের মুক্ত করা, প্রতি এক লাখ টাকার অগ্রিম আয়কর ৫০ টাকা থেকে কমিয়ে ১৫ টাকা করা প্রয়োজন।



[ad_2]

Source link

এই বিষয়ের আরো সংবাদ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

এই বিষয়ে সর্বাধিক পঠিত