[ad_1]
তিন সরকারি দপ্তরের উদ্যোগ
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, গত জুলাই মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল এক যুগের মধ্যে সর্বোচ্চ ১১ দশমিক ৬৬ শতাংশ, আগস্টে ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং সেপ্টেম্বরে ৯ দশমিক ৯২ শতাংশ। এই পরিসংখ্যান সার্বিক মূল্যস্ফীতির। খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার আরও বেশি। বিবিএসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মূল্যস্ফীতি কমার দিকে। তবে মূল্যস্ফীতি যে খুব বেশি কমে যাবে, তেমন আশা করছে না আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। গত মঙ্গলবার আইএমএফ বলেছে, চলতি অর্থবছরের মূল্যস্ফীতি দাঁড়াবে ৯ দশমিক ৭ শতাংশ।
সরকারি পরিসংখ্যান যা–ই হোক না কেন, কয়েক সপ্তাহ ধরে নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষ রীতিমতো ক্ষুব্ধ। এ পরিস্থিতিতে সাশ্রয়ী দামে সরাসরি নিত্যপণ্য বিক্রি করছে খাদ্য অধিদপ্তর, কৃষি বিপণন অধিদপ্তর ও ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। তবে নিম্ন আয়ের মানুষেরা বলছেন, সরকারের উদ্যোগ ঠিক থাকলেও চাহিদা মেটাতে তা যথেষ্ট নয়।
সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান উচ্চ মূল্যস্ফীতির জন্য ছয়টি কারণ চিহ্নিত করেছেন। এগুলো হচ্ছে সরবরাহ-সংকট, চাহিদা ও সরবরাহের তথ্যের ঘাটতি, বাজারে প্রতিযোগিতার অভাব ও ব্যবসায়ীদের কারসাজি, সঠিক মুদ্রা ও রাজস্ব নীতি গ্রহণে ব্যর্থতা, মুদ্রার অবমূল্যায়ন এবং জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়কে নিয়ে সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম গঠনের পরামর্শ দেন সেলিম রায়হান। তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে চাঁদাবাজি বন্ধ করা যেমন জরুরি, তেমনি দরকার ব্যবসায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা। প্রতিযোগিতা কমিশনকে সক্রিয় করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে সরকারের অনেক সংস্কার কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে বাধার সৃষ্টি হতে পারে।
বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান মইনুল খান প্রথম আলোকে বলেন, ‘নিত্যপণ্যের দাম কমানোর কৌশল নির্ধারণে আমরা একটা গবেষণা করছি। গবেষণার সুপারিশ সরকারের কাছে তুলে ধরার পর আশা করা যায় ভালো কিছু পদক্ষেপ আসবে।’
[ad_2]
Source link